রাত ৪:৩৭ | মঙ্গলবার | ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রাসুল (সা.) যেভাবে রমজানের শেষ দশক কাটাতেন ?

রমজানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবাহী অংশ হলো শেষের দশ দিন। সারা বছরের অন্য যে-কোনো সময়ের চেয়ে ইবাদতের শ্রেষ্ঠ সময় এই দশক। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর জীবনে অন্য কোনো সময় ইবাদত-বন্দেগিতে এত বেশি মশগুল হতেন না যতটা মশগুল থাকতেন এই দশকে।

এই দশকের তাঁর ইবাদত-বন্দেগির বর্ণনা দিতে গিয়ে মুসলিমের এক বর্ণনায় আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনে ইবাদত-বন্দেগির জন্য যত অধিক-হারে পরিশ্রম করতেন, অন্য কোনো সময় তা করতেন না।’ অপর বর্ণনায় তিনি বলেছেন, ‘(রমজানের) শেষ দশক আরম্ভ হলে তিনি কোমর বেঁধে ইবাদতে নেমে পড়তেন এবং রাতভর বিনিদ্র থেকে আমলে মাশগুল থাকতেন ও পরিবারের সবাইকে জাগিয়ে দিতেন।’

বোখারি-মুসলিমের এক বর্ণনা মতে, তিনি আলী ও ফাতেমা (রা.) কে ডেকে বলতেন, তোমরা উঠবে না? (নফল) নামাজ পড়বে না? এ হাদিসের আলোকে রমজানের শেষ দশকে তাঁর তিনটি সুন্নতের কথা আমরা জানতে পারি। এক. রাত জেগে ইবাদত, দুই. ইবাদতের জন্য সবকিছু ত্যাগ করে সর্বাধিক পরিশ্রম, তিন. পরিবারের লোকদেরও ইবাদতের জন্য ডেকে তোলা। অথচ এ বিষয়ে আমাদের সমাজের চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রথম দশকে আমরা কমবেশি আমল ও ইবাদতে নিমগ্ন হলেও শেষ দশকে গাফেল হয়ে যাই। ঈদের কেনাকাটা ও প্রস্তুতির ধুমে ইবাদতে মগ্ন হতে পারি না।

লাইলাতুল কদর অন্বেষণ
রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষের দশ রাতে ‘লাইলাতুল কদর’ অন্বেষণ করতেন। লাইলাতুল কদরে ইবাদত-বন্দেগি করতে পারা হাজার মাস আল্লাহর ইবাদতে কাটানোর চেয়েও সৌভাগ্যের বিষয় এবং মর্যাদার বিচারে শ্রেষ্ঠ।

লাইলাতুল কদর ঠিক কোন রাত? তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। উদ্দেশ্য, বান্দা যেন আল্লাহর প্রেম ও কল্যাণ কামনায় উজ্জীবিত হয়ে এই রাত অন্বেষণে ব্যাকুল থাকে। নবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোয় কদরের রাত তালাশ করো।’ অবশ্য কোনো কোনো বর্ণনা থেকে ২৭তম রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার জোরালো সম্ভাবনার কথা বর্ণিত আছে।

তবু যে ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে লাইলাতুল কদরে ইবাদতের মর্যাদা পেতে চায়, তাকে শেষ দশকের প্রতিটি রাতে সম্ভব না হলে কমপক্ষে সব বেজোড় রাতে ইবাদত করতে হবে। নবী (সা.) তাই করতেন এবং নির্দেশ দিয়েছেন। আয়েশা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বলেছিলেন, আমি যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই। অর্থাৎ কোনো রাত আমার কাছে লাইলাতুল কদর মনে হয়, তাহলে কোন দোয়া পাঠ করব? তখন নবী (সা.) বলেছেন, তুমি পড়বেÑ ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুুল আফওয়া ফাফু আন্না।’ অর্থ ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে ভালোবাসেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’ (তিরমিজি)।

ইতিকাফ নবীজীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব পাওয়া একটি আমল

রমজানুল কারিমের শেষ দশক যেহেতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং এই দশকেই অবস্থিত হাজার বছরের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনি লাইলাতুল কদর, সেজন্য এই দশকে রাসুলুল্লাহ (সা.) অন্যসব ব্যস্ততা ও কাজকর্ম ছেড়ে আল্লাহর ঘরে এসে বসে পড়তেন। এটা ছিল তাঁর আজীবনের নিয়ম। উদ্দেশ্য, লাইলাতুল কদর অন্বেষণ এবং একান্তে আল্লাহর ইবাদতে কাটানো। আয়েশা (রা.) বলেছেন, নবী করিম (সা.) আজীবন প্রতি বছর রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করতেন।

(এরপর তাঁর সহধর্মিণীরাও এই দশকে) ইতিকাফ করতেন। (বোখারি)। বাহ্যিক দৃষ্টিতে ইতিকাফ কিছুটা কষ্টকর ইবাদত মনে হলেও এটি অত্যন্ত প্রেমময় একটি আমল। ইতিকাফকারী ব্যক্তি আল্লাহর ঘরে অবস্থানের কারণে যেন আল্লাহর মেহমানে রূপান্তরিত হয়। আক্ষেপ, যে আমলটি আল্লাহর রাসুল (সা.) জীবনে একবারও ছাড়েননি, সেটা আমরা বেশিরভাগ লোক জীবনে একবারও করিনি! ইতিকাফকারীকে ২০তম রমজানে সন্ধ্যার আগ থেকে ঈদের চাঁদ ওঠা পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতে হবে। এই সময়ে অনন্যোপায় না হলে মসজিদ থেকে বের হওয়া নিষেধ। ইতিকাফ অবস্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া অবশিষ্ট সময় আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়ায় মশগুল থাকতে হবে।

রমজানের শেষ ও সম্পূরক আমল ফিতরা

রমজানের শেষ দশকের শেষ দিনের আমল ছিল সদকাতুল ফিতরা আদায়ের প্রস্তুতি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনায় যেসব ত্রুটিবিচ্যুতি হয়ে থাকে তা থেকে সিয়ামকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য সব রোজাদারকে জাকাতুল ফিতর আদায়ের নির্দেশ করেছেন আল্লাহর রাসুল (সা.)। সেই সঙ্গে অভাবী মানুষও যেন ঈদ আনন্দে শামিল হতে পারে, সেটিও ছিল তাঁর ফিতরা ব্যবস্থাপনার অন্যতম উদ্দেশ্য। সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত, সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) রোজাদারের জন্য সদকাতুল ফিতর আদায় অপরিহার্য করে দিয়েছেন।

Comments

comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» গোপীনাথপুর ফুটবল একাদশকে হারালো খুলনা মোল্যা খোকন স্মৃতি সংঘ

» কাশিয়ানীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য শাহিন ডাকাত গ্রেফতার

» মঈনুল হোসেন এর বিচারের দাবীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

» ৫ নং রাজনগর ইউনিয়ন ১-০ গোলে হারালো পেড়িখালি ইউনিয়নকে

» আলফাডাঙ্গায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে বৃদ্ধ মাতা সহ ২ সহোদর রক্তাক্ত জখম

» একটা মানবিক সাহায্যের প্রয়োজন

» স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ” তারিক সাঈদ ” এর জন্মদিন

» গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ : আশিক খান

» পদ্মায় লঞ্চঘাট ধস: আল আমিনকে পেতে পরিবারের আকুতি

» Teams

» TC team

» আলফাডাঙ্গায় জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় ইউপি সদস্যকে হত্যার হুমকি

» রুর‌্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র আলফাডাঙ্গা শাখার দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন

» সমাহার সফট চালু করলো করপোরেট বাল্ক এসএমএস

» আরজেএফ কেন্দ্রীয় কমিটিতে আলফাডাঙ্গার কামরুল ইসলাম নির্বাচিত

Archive Calendar

জুন ২০১৮
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে   জুলাই »
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  

সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।

রাত ৪:৩৭, ,

রাসুল (সা.) যেভাবে রমজানের শেষ দশক কাটাতেন ?

রমজানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবাহী অংশ হলো শেষের দশ দিন। সারা বছরের অন্য যে-কোনো সময়ের চেয়ে ইবাদতের শ্রেষ্ঠ সময় এই দশক। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর জীবনে অন্য কোনো সময় ইবাদত-বন্দেগিতে এত বেশি মশগুল হতেন না যতটা মশগুল থাকতেন এই দশকে।

এই দশকের তাঁর ইবাদত-বন্দেগির বর্ণনা দিতে গিয়ে মুসলিমের এক বর্ণনায় আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনে ইবাদত-বন্দেগির জন্য যত অধিক-হারে পরিশ্রম করতেন, অন্য কোনো সময় তা করতেন না।’ অপর বর্ণনায় তিনি বলেছেন, ‘(রমজানের) শেষ দশক আরম্ভ হলে তিনি কোমর বেঁধে ইবাদতে নেমে পড়তেন এবং রাতভর বিনিদ্র থেকে আমলে মাশগুল থাকতেন ও পরিবারের সবাইকে জাগিয়ে দিতেন।’

বোখারি-মুসলিমের এক বর্ণনা মতে, তিনি আলী ও ফাতেমা (রা.) কে ডেকে বলতেন, তোমরা উঠবে না? (নফল) নামাজ পড়বে না? এ হাদিসের আলোকে রমজানের শেষ দশকে তাঁর তিনটি সুন্নতের কথা আমরা জানতে পারি। এক. রাত জেগে ইবাদত, দুই. ইবাদতের জন্য সবকিছু ত্যাগ করে সর্বাধিক পরিশ্রম, তিন. পরিবারের লোকদেরও ইবাদতের জন্য ডেকে তোলা। অথচ এ বিষয়ে আমাদের সমাজের চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রথম দশকে আমরা কমবেশি আমল ও ইবাদতে নিমগ্ন হলেও শেষ দশকে গাফেল হয়ে যাই। ঈদের কেনাকাটা ও প্রস্তুতির ধুমে ইবাদতে মগ্ন হতে পারি না।

লাইলাতুল কদর অন্বেষণ
রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষের দশ রাতে ‘লাইলাতুল কদর’ অন্বেষণ করতেন। লাইলাতুল কদরে ইবাদত-বন্দেগি করতে পারা হাজার মাস আল্লাহর ইবাদতে কাটানোর চেয়েও সৌভাগ্যের বিষয় এবং মর্যাদার বিচারে শ্রেষ্ঠ।

লাইলাতুল কদর ঠিক কোন রাত? তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। উদ্দেশ্য, বান্দা যেন আল্লাহর প্রেম ও কল্যাণ কামনায় উজ্জীবিত হয়ে এই রাত অন্বেষণে ব্যাকুল থাকে। নবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোয় কদরের রাত তালাশ করো।’ অবশ্য কোনো কোনো বর্ণনা থেকে ২৭তম রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার জোরালো সম্ভাবনার কথা বর্ণিত আছে।

তবু যে ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে লাইলাতুল কদরে ইবাদতের মর্যাদা পেতে চায়, তাকে শেষ দশকের প্রতিটি রাতে সম্ভব না হলে কমপক্ষে সব বেজোড় রাতে ইবাদত করতে হবে। নবী (সা.) তাই করতেন এবং নির্দেশ দিয়েছেন। আয়েশা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বলেছিলেন, আমি যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই। অর্থাৎ কোনো রাত আমার কাছে লাইলাতুল কদর মনে হয়, তাহলে কোন দোয়া পাঠ করব? তখন নবী (সা.) বলেছেন, তুমি পড়বেÑ ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুুল আফওয়া ফাফু আন্না।’ অর্থ ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে ভালোবাসেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’ (তিরমিজি)।

ইতিকাফ নবীজীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব পাওয়া একটি আমল

রমজানুল কারিমের শেষ দশক যেহেতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং এই দশকেই অবস্থিত হাজার বছরের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনি লাইলাতুল কদর, সেজন্য এই দশকে রাসুলুল্লাহ (সা.) অন্যসব ব্যস্ততা ও কাজকর্ম ছেড়ে আল্লাহর ঘরে এসে বসে পড়তেন। এটা ছিল তাঁর আজীবনের নিয়ম। উদ্দেশ্য, লাইলাতুল কদর অন্বেষণ এবং একান্তে আল্লাহর ইবাদতে কাটানো। আয়েশা (রা.) বলেছেন, নবী করিম (সা.) আজীবন প্রতি বছর রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করতেন।

(এরপর তাঁর সহধর্মিণীরাও এই দশকে) ইতিকাফ করতেন। (বোখারি)। বাহ্যিক দৃষ্টিতে ইতিকাফ কিছুটা কষ্টকর ইবাদত মনে হলেও এটি অত্যন্ত প্রেমময় একটি আমল। ইতিকাফকারী ব্যক্তি আল্লাহর ঘরে অবস্থানের কারণে যেন আল্লাহর মেহমানে রূপান্তরিত হয়। আক্ষেপ, যে আমলটি আল্লাহর রাসুল (সা.) জীবনে একবারও ছাড়েননি, সেটা আমরা বেশিরভাগ লোক জীবনে একবারও করিনি! ইতিকাফকারীকে ২০তম রমজানে সন্ধ্যার আগ থেকে ঈদের চাঁদ ওঠা পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতে হবে। এই সময়ে অনন্যোপায় না হলে মসজিদ থেকে বের হওয়া নিষেধ। ইতিকাফ অবস্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া অবশিষ্ট সময় আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়ায় মশগুল থাকতে হবে।

রমজানের শেষ ও সম্পূরক আমল ফিতরা

রমজানের শেষ দশকের শেষ দিনের আমল ছিল সদকাতুল ফিতরা আদায়ের প্রস্তুতি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনায় যেসব ত্রুটিবিচ্যুতি হয়ে থাকে তা থেকে সিয়ামকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য সব রোজাদারকে জাকাতুল ফিতর আদায়ের নির্দেশ করেছেন আল্লাহর রাসুল (সা.)। সেই সঙ্গে অভাবী মানুষও যেন ঈদ আনন্দে শামিল হতে পারে, সেটিও ছিল তাঁর ফিতরা ব্যবস্থাপনার অন্যতম উদ্দেশ্য। সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত, সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) রোজাদারের জন্য সদকাতুল ফিতর আদায় অপরিহার্য করে দিয়েছেন।

Comments

comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।