সকাল ৮:৩৫ | মঙ্গলবার | ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রাজের প্রথম সংসার ভাঙার কারণ ছিলো শুভশ্রী

বিচ্ছেদের পরে কেটে গেছে সাত বছর। অতীত ভুলে বলিউডের নায়িকা– সহকর্মী শুভশ্রী গাঙ্গুলির সঙ্গে গত শুক্রবারই সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। কিন্তু এতবছরের পরেও রাজকে মনে করছেন আর এক নারী। তিনি শতাব্দী মিত্র। রাজের প্রথম স্ত্রী।

টলিউডের এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত ‘‌ইভেন্ট’‌ রাজ শুভশ্রীর বিয়ে। অনুষ্ঠানে কোন কোন টলিতারকা এলেন, মেনুতে কী ছিল— সে সব নিয়ে আমজনতার কৌতূহল তুঙ্গে। তার মধ্যেই এবার ঘনিষ্ঠমহলে এবার মুখ খুললেন শতাব্দী। তাঁর এক বন্ধুর কাছে শতাব্দী স্পষ্টই জানিয়েছেন, অতীতের যাবতীয় তিক্ততার পরেও শুভশ্রীকে নিয়ে রাজ খুশি থাকুন, এমনটাই চান তিনি।

২০০০ সালে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয়েছিল শতাব্দী ও রাজের। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। খুব অল্প সময়ের মধ্যে খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন তাঁরা। শতাব্দীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলছেন, ‘‌সেই সময়ে রাজ টলিউডে প্রতিষ্ঠা পায়নি। কাজের খোঁজ করছে। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারছে না। রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে টালিগঞ্জে একটা বাড়িতে ভাড়া থাকত ও। সেই সময় শতাব্দী ওকে অনেক সাহায্য করেছে। টাকা পয়সা দেওয়া, খাবার দাবার দেওয়া, অসুস্থ হলে সেবা করা— সবই করেছে।

শতাব্দীর আর এক বান্ধবীর দাবি, ‘‌নিজের বাড়ির ফ্রিজ থেকে রাজের জন্য খাবার চুরি করতো শতাব্দী। তারপরে বাসে করে সেই খাবার বেহালা থেকে পৌঁছে দিয়ে আসতো রাজের কাছে। আবার কখনও মর্নিং ওয়াকে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে লুকিয়ে বেরিয়ে ব্রেকফাস্টের টাকা দিয়ে আসতো ওকে। কখনও জলের বোতল, কখনও ওষুধ, কখনও জামাকাপড় কিনে দেওয়া, কী করেনি ওর জন্য শতাব্দী!‌ নিজের হাতখরচের টাকা নিঃস্বার্থভাবে খরচ করেছে রাজের জন্য।’

২০০৬ সালে বিয়ে হয় রাজ ও শতাব্দীর। যেহেতু রাজের ফিল্মি ক্যারিয়ার তখনও সেভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই বিয়ে নিয়ে প্রাথমিকভাবে মত ছিল না শতাব্দীর অভিভাবকদের। কিন্তু রাজকেই বিয়ে করার জন্য জেদ ধরে বসেছিলেন শতাব্দী। মেয়ের জেদের কাছে হার মানেন অভিভাবকরা। আপন করে নেন রাজকে। শতাব্দীর বান্ধবী বলছেন, ‘‌শতাব্দী রাজের জন্য খুব লাকি ছিল। ওকে বিয়ে করার পরে ‘‌চিরদিনই তুমি যে আমার’‌, ‘‌চ্যালেঞ্জ’‌, ‘‌প্রেম আমার’‌–এর মতো হিট দিয়েছিল রাজ। ততদিনে রাজকেও ঘরের ছেলে বলে স্বীকার করে নেন শতাব্দীর পরিজনরা। ওঁর জন্য শতাব্দীর মা–বাবাও কম করেননি। এমনকী, রাজের শরীর খারাপ হলে সারারাত জেগে সেবাও করেছেন শতাব্দীর মা।

সেটা অবশ্য রাজ নিজেও একাধিক জায়গায় স্বীকার করেছেন।’‌ এখান থেকেই নাকি সুখী দাম্পত্যে ধরেছিল চিড়। ঘনিষ্ঠমহলে শতাব্দী দাবি করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে থাকলেও শুভশ্রীর সঙ্গে প্রেম করতে শুরু করেছিলেন রাজ। সেটা নিয়ে বাড়িতে অশান্তিও হয়। এমনকী, শুভশ্রীর বাড়িতে ফোন করে এই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন শতাব্দী। শুভশ্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়, বয়স কম, তাই ভুল করে ফেলেছেন শুভশ্রী। তিনি এই সম্পর্ক থেকে সরে আসবেন। এরই মধ্যে গুজব রটে শুভশ্রী নাকি প্রেম করছেন আর এক নায়ক দেবের সঙ্গে।

কিন্তু তবু আশ্বস্ত হতে পারেননি শতাব্দী। পেশায় সংবাদমাধ্যমের কর্মী শতাব্দীর এক বান্ধবী বলছেন, ‌ততদিনে আর এক নায়িকা পায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল রাজের। দিনের পর দিন একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। শতাব্দীর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করতেন রাজ। তারপরেও এক বলিউডের এক বাঙালি গায়িকা এবং আরও কয়েকজন নারীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল রাজের।’ তাই‌ তিতি বিরক্ত হয়েই নাকি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শতাব্দী।

২০১১–এর শেষের দিকে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁদের। তবে এতকিছুর পরেও নাকি শতাব্দী বীতশ্রদ্ধ নন রাজের ওপরে। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, ‘‌রাজ খুব বিচিত্র একটা মানুষ।

একমুহূর্তে এমন একটা কাজ করছে, যেটা দেখে ওর প্রতি শ্রদ্ধা জাগছে। পরমুহূর্তেই এমন একটা কাজ করছে, যেটা দেখে মনে হচ্ছে, কোনও মানুষ এমন কাজ করতে পারে?‌ কখনও ওকে ভালোবাসতে ইচ্ছা করতো। আবার কখনও ওকে ঘেন্না করা ছাড়া কোনও উপায় থাকতো না।’‌ তাই বিচ্ছেদের পরেও মৌখিক ভদ্রতা নষ্ট করেননি রাজ ও শতাব্দী।
আজও যখন কোনও পার্টি বা প্রিমিয়ারে দেখা হয়, রাজ যে সৌজন্য দেখান এবং যথেষ্ট ভালভাবে কথা বলেন, সেটা গ্রহণ করেছেন শতাব্দী। বলেছেন, রাজকে আমি এখনও ভালোবাসি। কখনই চাইব না ওর কোনও ক্ষতি হোক। শুভশ্রীর সঙ্গে ও নতুন জীবন শুরু করেছে। ওদের জীবন সুখে কাটুক। আমরা এখন অনেক পরিণত। দু’‌জন পরিণত মানুষের মতোই অতীতটাকে সামলে নিতে চাই।

শতাব্দীর সঙ্গে থাকাকালীন ক্যারিয়ারের প্রথম তিনটা ছবিই সুপারহিট হয়েছিল রাজের। তাঁদের পারিবারিক বন্ধুরাও স্বীকার করে বলেন, ‘শতাব্দী ছিল রাজের লাকি চার্ম।’‌ রাজের দাম্পত্য কেরিয়ারের সেকেন্ড ইনিংসে কি শুভশ্রী ফিরিয়ে আনতে পারবেন সেই ‘‌মিডাস টাচ’‌?‌ এখন দেখার সেটাই।

Comments

comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» গোপীনাথপুর ফুটবল একাদশকে হারালো খুলনা মোল্যা খোকন স্মৃতি সংঘ

» কাশিয়ানীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য শাহিন ডাকাত গ্রেফতার

» মঈনুল হোসেন এর বিচারের দাবীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

» ৫ নং রাজনগর ইউনিয়ন ১-০ গোলে হারালো পেড়িখালি ইউনিয়নকে

» আলফাডাঙ্গায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে বৃদ্ধ মাতা সহ ২ সহোদর রক্তাক্ত জখম

» একটা মানবিক সাহায্যের প্রয়োজন

» স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ” তারিক সাঈদ ” এর জন্মদিন

» গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ : আশিক খান

» পদ্মায় লঞ্চঘাট ধস: আল আমিনকে পেতে পরিবারের আকুতি

» Teams

» TC team

» আলফাডাঙ্গায় জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় ইউপি সদস্যকে হত্যার হুমকি

» রুর‌্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র আলফাডাঙ্গা শাখার দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন

» সমাহার সফট চালু করলো করপোরেট বাল্ক এসএমএস

» আরজেএফ কেন্দ্রীয় কমিটিতে আলফাডাঙ্গার কামরুল ইসলাম নির্বাচিত

Archive Calendar

জুন ২০১৮
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে   জুলাই »
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  

সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।

সকাল ৮:৩৫, ,

রাজের প্রথম সংসার ভাঙার কারণ ছিলো শুভশ্রী

বিচ্ছেদের পরে কেটে গেছে সাত বছর। অতীত ভুলে বলিউডের নায়িকা– সহকর্মী শুভশ্রী গাঙ্গুলির সঙ্গে গত শুক্রবারই সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। কিন্তু এতবছরের পরেও রাজকে মনে করছেন আর এক নারী। তিনি শতাব্দী মিত্র। রাজের প্রথম স্ত্রী।

টলিউডের এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত ‘‌ইভেন্ট’‌ রাজ শুভশ্রীর বিয়ে। অনুষ্ঠানে কোন কোন টলিতারকা এলেন, মেনুতে কী ছিল— সে সব নিয়ে আমজনতার কৌতূহল তুঙ্গে। তার মধ্যেই এবার ঘনিষ্ঠমহলে এবার মুখ খুললেন শতাব্দী। তাঁর এক বন্ধুর কাছে শতাব্দী স্পষ্টই জানিয়েছেন, অতীতের যাবতীয় তিক্ততার পরেও শুভশ্রীকে নিয়ে রাজ খুশি থাকুন, এমনটাই চান তিনি।

২০০০ সালে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয়েছিল শতাব্দী ও রাজের। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। খুব অল্প সময়ের মধ্যে খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন তাঁরা। শতাব্দীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলছেন, ‘‌সেই সময়ে রাজ টলিউডে প্রতিষ্ঠা পায়নি। কাজের খোঁজ করছে। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারছে না। রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে টালিগঞ্জে একটা বাড়িতে ভাড়া থাকত ও। সেই সময় শতাব্দী ওকে অনেক সাহায্য করেছে। টাকা পয়সা দেওয়া, খাবার দাবার দেওয়া, অসুস্থ হলে সেবা করা— সবই করেছে।

শতাব্দীর আর এক বান্ধবীর দাবি, ‘‌নিজের বাড়ির ফ্রিজ থেকে রাজের জন্য খাবার চুরি করতো শতাব্দী। তারপরে বাসে করে সেই খাবার বেহালা থেকে পৌঁছে দিয়ে আসতো রাজের কাছে। আবার কখনও মর্নিং ওয়াকে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে লুকিয়ে বেরিয়ে ব্রেকফাস্টের টাকা দিয়ে আসতো ওকে। কখনও জলের বোতল, কখনও ওষুধ, কখনও জামাকাপড় কিনে দেওয়া, কী করেনি ওর জন্য শতাব্দী!‌ নিজের হাতখরচের টাকা নিঃস্বার্থভাবে খরচ করেছে রাজের জন্য।’

২০০৬ সালে বিয়ে হয় রাজ ও শতাব্দীর। যেহেতু রাজের ফিল্মি ক্যারিয়ার তখনও সেভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই বিয়ে নিয়ে প্রাথমিকভাবে মত ছিল না শতাব্দীর অভিভাবকদের। কিন্তু রাজকেই বিয়ে করার জন্য জেদ ধরে বসেছিলেন শতাব্দী। মেয়ের জেদের কাছে হার মানেন অভিভাবকরা। আপন করে নেন রাজকে। শতাব্দীর বান্ধবী বলছেন, ‘‌শতাব্দী রাজের জন্য খুব লাকি ছিল। ওকে বিয়ে করার পরে ‘‌চিরদিনই তুমি যে আমার’‌, ‘‌চ্যালেঞ্জ’‌, ‘‌প্রেম আমার’‌–এর মতো হিট দিয়েছিল রাজ। ততদিনে রাজকেও ঘরের ছেলে বলে স্বীকার করে নেন শতাব্দীর পরিজনরা। ওঁর জন্য শতাব্দীর মা–বাবাও কম করেননি। এমনকী, রাজের শরীর খারাপ হলে সারারাত জেগে সেবাও করেছেন শতাব্দীর মা।

সেটা অবশ্য রাজ নিজেও একাধিক জায়গায় স্বীকার করেছেন।’‌ এখান থেকেই নাকি সুখী দাম্পত্যে ধরেছিল চিড়। ঘনিষ্ঠমহলে শতাব্দী দাবি করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে থাকলেও শুভশ্রীর সঙ্গে প্রেম করতে শুরু করেছিলেন রাজ। সেটা নিয়ে বাড়িতে অশান্তিও হয়। এমনকী, শুভশ্রীর বাড়িতে ফোন করে এই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন শতাব্দী। শুভশ্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়, বয়স কম, তাই ভুল করে ফেলেছেন শুভশ্রী। তিনি এই সম্পর্ক থেকে সরে আসবেন। এরই মধ্যে গুজব রটে শুভশ্রী নাকি প্রেম করছেন আর এক নায়ক দেবের সঙ্গে।

কিন্তু তবু আশ্বস্ত হতে পারেননি শতাব্দী। পেশায় সংবাদমাধ্যমের কর্মী শতাব্দীর এক বান্ধবী বলছেন, ‌ততদিনে আর এক নায়িকা পায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল রাজের। দিনের পর দিন একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। শতাব্দীর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করতেন রাজ। তারপরেও এক বলিউডের এক বাঙালি গায়িকা এবং আরও কয়েকজন নারীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল রাজের।’ তাই‌ তিতি বিরক্ত হয়েই নাকি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শতাব্দী।

২০১১–এর শেষের দিকে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁদের। তবে এতকিছুর পরেও নাকি শতাব্দী বীতশ্রদ্ধ নন রাজের ওপরে। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, ‘‌রাজ খুব বিচিত্র একটা মানুষ।

একমুহূর্তে এমন একটা কাজ করছে, যেটা দেখে ওর প্রতি শ্রদ্ধা জাগছে। পরমুহূর্তেই এমন একটা কাজ করছে, যেটা দেখে মনে হচ্ছে, কোনও মানুষ এমন কাজ করতে পারে?‌ কখনও ওকে ভালোবাসতে ইচ্ছা করতো। আবার কখনও ওকে ঘেন্না করা ছাড়া কোনও উপায় থাকতো না।’‌ তাই বিচ্ছেদের পরেও মৌখিক ভদ্রতা নষ্ট করেননি রাজ ও শতাব্দী।
আজও যখন কোনও পার্টি বা প্রিমিয়ারে দেখা হয়, রাজ যে সৌজন্য দেখান এবং যথেষ্ট ভালভাবে কথা বলেন, সেটা গ্রহণ করেছেন শতাব্দী। বলেছেন, রাজকে আমি এখনও ভালোবাসি। কখনই চাইব না ওর কোনও ক্ষতি হোক। শুভশ্রীর সঙ্গে ও নতুন জীবন শুরু করেছে। ওদের জীবন সুখে কাটুক। আমরা এখন অনেক পরিণত। দু’‌জন পরিণত মানুষের মতোই অতীতটাকে সামলে নিতে চাই।

শতাব্দীর সঙ্গে থাকাকালীন ক্যারিয়ারের প্রথম তিনটা ছবিই সুপারহিট হয়েছিল রাজের। তাঁদের পারিবারিক বন্ধুরাও স্বীকার করে বলেন, ‘শতাব্দী ছিল রাজের লাকি চার্ম।’‌ রাজের দাম্পত্য কেরিয়ারের সেকেন্ড ইনিংসে কি শুভশ্রী ফিরিয়ে আনতে পারবেন সেই ‘‌মিডাস টাচ’‌?‌ এখন দেখার সেটাই।

Comments

comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।