দুপুর ১:০৪ | শনিবার | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

“আত্বহত্যা না হত্যা”

আত্বহত্যা না হত্যা
————————
-এম,এম,লিয়াকত হোসেন(লিটন)
“এডমিন”
“মধুমতি পাড়ের লেখিয়ে গ্রুপ”
———————————————————

তমা ও নিশাত একই গাঁয়ের মানুষ।দুজনে খুব ভাল বন্ধু।নিশাতের বাড়ি অন্য পাড়ায় হলেও বিকালে তমার সাথে তার প্রতিদিনই দেখা হয়।

এক বিকেলে তমা নিশাতকে কেমন যেন মন মরা, মুখখানা মলিন দেখতে পায়,খুনসুটিও নেই,নেই মুখে হাসিও।
তমা নিশাতকে জিজ্ঞেস করে কিরে নিশাত তোর কি হয়েছে? দোস্ত আমাকে বল? তোকে এমন লাগছে কেন?

নিশাত তমাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁফিয়ে কেঁদে ওঠে।কিছুই বুজতে পারেনা তমা।তমার মনে শত প্রশ্ন এলোমেলো কথা বলে।

কান্নার ফাঁকে নিশাত – তমাকে বলে দোস্ত আমার আগামী সোমবার বিয়ে।সবে মাত্র ইন্টারমিডিয়েট পাশ করলাম।স্বপ্ব ছিল লেখা পড়া শিখে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তার পর বিয়ে করব।তা আর হলোনা দোস্ত।
গরীবের ঘরে জন্ম নিয়েছি ইত্যাদি……কথপোকথন চলে দুজনের মধ্যে।

কিন্তু আসল কথাটা কৌশলে এড়িয়ে যায় নিশাত।তমার বুঝতে বাকি থাকেনা- নিশাতের কথার জড়তায় কোন রহস্য লুকিয়ে আছে।বার বার চেষ্টা করেও তমা নিশাতের মুখ হতে আসল কথাটা বের করতে ব্যর্থ হলো।তমা ফেইলর, ঠিক আছে দোস্ত চল ওখানটায় বসি।

অন্যদিকে নিশাতের বাবা অল্পশিক্ষিত মানুষ।একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী।
নিশাতের বিয়ের খরচের জন্যে প্রভিঃফান্ড হতে দেড়লক্ষ টাকা লোন করে।ছুটিতে আসে গাঁয়ের বাড়ি- মেয়ের বিয়ে বলে কথা। ধুমধাম করে সকল পাড়া প্রতিবেশী আত্বীয় স্বজনদের দাওয়াত করে। জাকজমক ভাবে বিয়ে দেয় নিশাতের।
নিশাত লাল শাড়ীতে মুখ লুকিয়ে চলে যায় শশুরবাড়ী।
বর- কনে দুজনকে বেশ মানিয়েছে। সকলে অনেক খুশি।নবদম্পত্তি এখানে- ওখানে ঘুরে – ফিরে নবউদ্যমে……

বিয়ের সাত দিন পর নিশাতের কেমন যেন মাথা ঘুরায়,বমিবমি ভাব,ঝিমঝিম ঘুমকাতুরে হয়ে যায় নিশাত।
নিশাতের স্বামী সন্দেহ করে।মাত্র এক সপ্তাহ হলো বিয়ে করলাম,এখনই এমনই হবে কেন?
নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় নিশাতের স্বামীর মাথায়।

নিশাতের স্বামী একটু চতুর প্রকৃতির।সে এনিয়ে- বিনিয়ে জিজ্ঞেস করে নিশাতকে।আমাকে বলো আসল ঘটনা আমি কাউকে বলবনা।নিশাত স্বীকার করতে চায়না / কথা বলেনা।
রেগে নিশাতের স্বামী তার মুখে এলোপাতারি চড় থাপ্পড় মারে…..
নিশাত এবার গড়গড় করে সব স্বীকার করে তার স্বামীর নিকট।

বিয়ের আগে আমি এক মানুষরুপি নরপশুকে ভালবাসতাম।কোন এক সন্ধ্যায় সে আমাদের বাড়িতে আসে।সুযোগবুঝে সে আমার সাথে জোর করে শারিরিক সম্পর্ক করে।এখন আমি ২ মাসের প্রেগনেন্ট।
নিশাতের স্বামীর আর বুঝতে বাকি থাকেনা।

নিশাতকে নিয়ে গন্জের হাসপাতালে চলে যায় তার স্বামী।ডাক্তার চেকআপ করে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বার রিপোর্ট দেয়।

নিশাতের স্বামী তার শশুরবাড়ীর লোকজনকে খবর দেয়।খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে ছুটে আসে।নিশাতের স্বামী সব খুলে বলে উপস্হিত সকলকে।সে আর এই চরিত্রহীন স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করবেনা।তাৎক্ষনিক স্হানীয় গন্যমান্যদের উপস্হিতে দুই পরিবারের সম্মতিতে খোলা তালাক হয়ে যায়।মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে নিশাতের সব সুখ,স্বাদ,আল্হাদ,আর মেহেদীর রং মুছে যায়।

নিশাতের পরিবার মুখবুঝে সব মেনে নেয়,নিশাতের এ্যাবসন করানো হয়।

এদিকে গাঁয়ের লোকজন সকলের কানাঘুষায় জেনে যায় আসল ঘটনা।তারা নিশাতের পরিবারকে সমাজচুত্য করে(একঘরে)…….

অন্যদিকে নিশাত তার সাথে অবৈধ মেলামেশাকারীর নাম প্রকাশ করেনা।এমনকি তার পরিবারের কোন সদস্যও কিছু বলতে নারাজ।
কারন,ধর্ষক এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের ছেলে,গাঁয়ের ক্ষমতাধর ব্যক্তি তারা।
তাদের সাথে পেরে উঠবেনা নিশাতের পরিবার।

পাড়া প্রতিবেশী,ও গাঁয়ের লোকদের নানা কুৎসা,ও খোচামারা কথা নিশাতের সহ্য হয়না।নিশাতকে উদ্দেশ্য করে নানান অঙ্গভঙ্গিতে,ইশারায়,সরাসরি কটুক্তি করে।নিশাত মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে প্রায়।

কোন এক সকালে নিশাত তার পরিবারের সাথে নাস্তা করে।বুঝতেই দেয়নি সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যাবে ওপারে….
এই কলন্কিত মুখ সে দেখাতে চায়না।
সুযোগ বুঝে নিশাত ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করে।

নিশাতের অসহায় পরিবার শোকে দিশেহারা। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।পুলিশ এসে নিশাতের লাশ নিয়ে যায় মর্গে।
নিশাতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
এর মধ্যেও চলে পুলিশের হয়রানি,মামলার ভয় দেখিয়ে দরীদ্র পরিবারের এহেন অবস্হায়ও বেশ কিছু টাকা হাতিয়ে নেয় থানা পুলিশ গ্রাম্য মাতবরদের সহায়তায়।

দুদিন বাদে পোষ্টমর্টেম শেষে লাশ দাফনের অনুমতি দেয় থানা পুলিশ।
মেয়েকে হারিয়ে পরিবারের সব স্বপ্ন আনন্দ,আল্হাদ শেষ হয়ে যায়,পাগল প্রায় নিশাতের বাবা।অর্ধ মানসিক ভারসাম্যহীন দিন যাপন করে সে….

তবুও থেমে নেই সমাজপতিদের কথার আষ্ফলন।মেয়েকে হারিয়েও রেহাই পায়নি সমাজচুত্য থেকেও (একঘরে)…….

প্রশ্নটা বার বার উকিঁ দিয়ে বলে যায়-
এভাবে আর কত নিশাত নিরবে,নিভৃতে,নিশ্চুপে অকালে ঝরে যাবে এই সুন্দর পৃথিবীর আলো- ছায়া হতে?

( সংক্ষিপ্ত প্রকাশ)

Comments

comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ৫ নং রাজনগর ইউনিয়ন ১-০ গোলে হারালো পেড়িখালি ইউনিয়নকে

» আলফাডাঙ্গায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে বৃদ্ধ মাতা সহ ২ সহোদর রক্তাক্ত জখম

» একটা মানবিক সাহায্যের প্রয়োজন

» স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ” তারিক সাঈদ ” এর জন্মদিন

» গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ : আশিক খান

» পদ্মায় লঞ্চঘাট ধস: আল আমিনকে পেতে পরিবারের আকুতি

» Teams

» TC team

» আলফাডাঙ্গায় জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় ইউপি সদস্যকে হত্যার হুমকি

» রুর‌্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র আলফাডাঙ্গা শাখার দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন

» সমাহার সফট চালু করলো করপোরেট বাল্ক এসএমএস

» আরজেএফ কেন্দ্রীয় কমিটিতে আলফাডাঙ্গার কামরুল ইসলাম নির্বাচিত

» “মধুমতি পাড়ের লেখিয়ে গ্রুপ”

» Test

» জেনে নিন টনসিলের ব্যথা দূর করার সহজ সমাধান !!

Archive Calendar

ফেব্রুয়ারি ২০১৮
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি   মার্চ »
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮  

সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।

দুপুর ১:০৪, ,

“আত্বহত্যা না হত্যা”

আত্বহত্যা না হত্যা
————————
-এম,এম,লিয়াকত হোসেন(লিটন)
“এডমিন”
“মধুমতি পাড়ের লেখিয়ে গ্রুপ”
———————————————————

তমা ও নিশাত একই গাঁয়ের মানুষ।দুজনে খুব ভাল বন্ধু।নিশাতের বাড়ি অন্য পাড়ায় হলেও বিকালে তমার সাথে তার প্রতিদিনই দেখা হয়।

এক বিকেলে তমা নিশাতকে কেমন যেন মন মরা, মুখখানা মলিন দেখতে পায়,খুনসুটিও নেই,নেই মুখে হাসিও।
তমা নিশাতকে জিজ্ঞেস করে কিরে নিশাত তোর কি হয়েছে? দোস্ত আমাকে বল? তোকে এমন লাগছে কেন?

নিশাত তমাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁফিয়ে কেঁদে ওঠে।কিছুই বুজতে পারেনা তমা।তমার মনে শত প্রশ্ন এলোমেলো কথা বলে।

কান্নার ফাঁকে নিশাত – তমাকে বলে দোস্ত আমার আগামী সোমবার বিয়ে।সবে মাত্র ইন্টারমিডিয়েট পাশ করলাম।স্বপ্ব ছিল লেখা পড়া শিখে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তার পর বিয়ে করব।তা আর হলোনা দোস্ত।
গরীবের ঘরে জন্ম নিয়েছি ইত্যাদি……কথপোকথন চলে দুজনের মধ্যে।

কিন্তু আসল কথাটা কৌশলে এড়িয়ে যায় নিশাত।তমার বুঝতে বাকি থাকেনা- নিশাতের কথার জড়তায় কোন রহস্য লুকিয়ে আছে।বার বার চেষ্টা করেও তমা নিশাতের মুখ হতে আসল কথাটা বের করতে ব্যর্থ হলো।তমা ফেইলর, ঠিক আছে দোস্ত চল ওখানটায় বসি।

অন্যদিকে নিশাতের বাবা অল্পশিক্ষিত মানুষ।একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী।
নিশাতের বিয়ের খরচের জন্যে প্রভিঃফান্ড হতে দেড়লক্ষ টাকা লোন করে।ছুটিতে আসে গাঁয়ের বাড়ি- মেয়ের বিয়ে বলে কথা। ধুমধাম করে সকল পাড়া প্রতিবেশী আত্বীয় স্বজনদের দাওয়াত করে। জাকজমক ভাবে বিয়ে দেয় নিশাতের।
নিশাত লাল শাড়ীতে মুখ লুকিয়ে চলে যায় শশুরবাড়ী।
বর- কনে দুজনকে বেশ মানিয়েছে। সকলে অনেক খুশি।নবদম্পত্তি এখানে- ওখানে ঘুরে – ফিরে নবউদ্যমে……

বিয়ের সাত দিন পর নিশাতের কেমন যেন মাথা ঘুরায়,বমিবমি ভাব,ঝিমঝিম ঘুমকাতুরে হয়ে যায় নিশাত।
নিশাতের স্বামী সন্দেহ করে।মাত্র এক সপ্তাহ হলো বিয়ে করলাম,এখনই এমনই হবে কেন?
নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় নিশাতের স্বামীর মাথায়।

নিশাতের স্বামী একটু চতুর প্রকৃতির।সে এনিয়ে- বিনিয়ে জিজ্ঞেস করে নিশাতকে।আমাকে বলো আসল ঘটনা আমি কাউকে বলবনা।নিশাত স্বীকার করতে চায়না / কথা বলেনা।
রেগে নিশাতের স্বামী তার মুখে এলোপাতারি চড় থাপ্পড় মারে…..
নিশাত এবার গড়গড় করে সব স্বীকার করে তার স্বামীর নিকট।

বিয়ের আগে আমি এক মানুষরুপি নরপশুকে ভালবাসতাম।কোন এক সন্ধ্যায় সে আমাদের বাড়িতে আসে।সুযোগবুঝে সে আমার সাথে জোর করে শারিরিক সম্পর্ক করে।এখন আমি ২ মাসের প্রেগনেন্ট।
নিশাতের স্বামীর আর বুঝতে বাকি থাকেনা।

নিশাতকে নিয়ে গন্জের হাসপাতালে চলে যায় তার স্বামী।ডাক্তার চেকআপ করে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বার রিপোর্ট দেয়।

নিশাতের স্বামী তার শশুরবাড়ীর লোকজনকে খবর দেয়।খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে ছুটে আসে।নিশাতের স্বামী সব খুলে বলে উপস্হিত সকলকে।সে আর এই চরিত্রহীন স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করবেনা।তাৎক্ষনিক স্হানীয় গন্যমান্যদের উপস্হিতে দুই পরিবারের সম্মতিতে খোলা তালাক হয়ে যায়।মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে নিশাতের সব সুখ,স্বাদ,আল্হাদ,আর মেহেদীর রং মুছে যায়।

নিশাতের পরিবার মুখবুঝে সব মেনে নেয়,নিশাতের এ্যাবসন করানো হয়।

এদিকে গাঁয়ের লোকজন সকলের কানাঘুষায় জেনে যায় আসল ঘটনা।তারা নিশাতের পরিবারকে সমাজচুত্য করে(একঘরে)…….

অন্যদিকে নিশাত তার সাথে অবৈধ মেলামেশাকারীর নাম প্রকাশ করেনা।এমনকি তার পরিবারের কোন সদস্যও কিছু বলতে নারাজ।
কারন,ধর্ষক এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের ছেলে,গাঁয়ের ক্ষমতাধর ব্যক্তি তারা।
তাদের সাথে পেরে উঠবেনা নিশাতের পরিবার।

পাড়া প্রতিবেশী,ও গাঁয়ের লোকদের নানা কুৎসা,ও খোচামারা কথা নিশাতের সহ্য হয়না।নিশাতকে উদ্দেশ্য করে নানান অঙ্গভঙ্গিতে,ইশারায়,সরাসরি কটুক্তি করে।নিশাত মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে প্রায়।

কোন এক সকালে নিশাত তার পরিবারের সাথে নাস্তা করে।বুঝতেই দেয়নি সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যাবে ওপারে….
এই কলন্কিত মুখ সে দেখাতে চায়না।
সুযোগ বুঝে নিশাত ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করে।

নিশাতের অসহায় পরিবার শোকে দিশেহারা। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।পুলিশ এসে নিশাতের লাশ নিয়ে যায় মর্গে।
নিশাতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
এর মধ্যেও চলে পুলিশের হয়রানি,মামলার ভয় দেখিয়ে দরীদ্র পরিবারের এহেন অবস্হায়ও বেশ কিছু টাকা হাতিয়ে নেয় থানা পুলিশ গ্রাম্য মাতবরদের সহায়তায়।

দুদিন বাদে পোষ্টমর্টেম শেষে লাশ দাফনের অনুমতি দেয় থানা পুলিশ।
মেয়েকে হারিয়ে পরিবারের সব স্বপ্ন আনন্দ,আল্হাদ শেষ হয়ে যায়,পাগল প্রায় নিশাতের বাবা।অর্ধ মানসিক ভারসাম্যহীন দিন যাপন করে সে….

তবুও থেমে নেই সমাজপতিদের কথার আষ্ফলন।মেয়েকে হারিয়েও রেহাই পায়নি সমাজচুত্য থেকেও (একঘরে)…….

প্রশ্নটা বার বার উকিঁ দিয়ে বলে যায়-
এভাবে আর কত নিশাত নিরবে,নিভৃতে,নিশ্চুপে অকালে ঝরে যাবে এই সুন্দর পৃথিবীর আলো- ছায়া হতে?

( সংক্ষিপ্ত প্রকাশ)

Comments

comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।