রাত ৯:৪৪ | মঙ্গলবার | ১৭ই জুলাই, ২০১৮ ইং | ২রা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

” ওরা ভীড় করে “

” ওরা ভীড় করে ”
“”””””””””””””””””””””””””
-ঝর্না দে ঝুনু
মধুমতি পাড়ের লেখিয়ে

“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””

এস, এস, সি, পরীক্ষা শেষ। বা — বা হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। যেন বন্দী দশা থেক মুক্তিপেলাম দীর্ঘ এক মাসের ও বেশী দিন বাড়ীছাড়া।
পরীক্ষা কেন্দ্রটি আট কি. মি.দূরে। এক দাদার বাড়িতে থাকা, মেয়ে আমি তাই। বাক্স -প্যাটরা বইয়ের বস্তা গুছিয়ে নিলাম। ছাউনিওয়ালা একটা ঘোড়ার গাড়ী রিজার্ভ করা হয়েছে বাড়ী ফেরার জন্য। বাড়ী থেকে আসার দিন ও ঐ একই ভাবে এসেছিলাম। ঠিক মনে হয়ে ছিল যেন মেয়ে শ্বশুর বাড়ী যাচ্ছে। আমি তো কান্না করে ফেলেছিলাম। যদিও বা শ্বশুর বাড়ীর কোন প্রতিচ্ছবি মনের কোনে উঁকি তখনও দেয়নি।

রওনা করেই পরীক্ষাত্তোর কর্মসূচী একে একে সাজিয়ে নিলাম । নিমিষেই চোখের সামনে সবাইকে আবিষ্কার ও করে ফেললাম। আহা,বাড়ী পাড়া কাছের বন্ধুরা আমাকে না দেখে কতই না কষ্ট পাচ্ছে। মনে হল বাড়ী ফেরার আনন্দ টা যেন বিজয়ের আনন্দ। পুরো তিনটা মাস মুক্ত বিহঙ্গ, আর বাঁধাহীন আনন্দ। কিছু সময়ের মধ্যেই সব হাতের মুঠোয়।

বাড়ী ফিরে কত কাজ। হয়ত পুতুলের বাক্সে ইঁদুর রাজত্ব করছে, কত কষ্ট আছে ওরা। চারা ফুল গাছ গুলো হয়ত জলের অভাবে ধুকে
ধুকে মরছে। বাড়ীতে কিছুদিন আগে জন্মনেওয়া কালো গরুর বাছুরটা হয়ত আমাকে
খুজে ফিরে।টমী টা আমার বিহনে খাবার বন্ধ করেছে হয়ত পুষি টাও তাই। ভেবেই মনটা কেমন ভারী ভারী লাগছে।
দস্যি মেয়েদের তালিকায় প্রথম সারির এক নম্বরে আমার নামটা। গ্রামের এমন কোন জায়গা ছিল না যেখানে আমার পদচারনা নেই। আম তলা, জাম তলা, তেতুল তলা, বড়ই তলা সব আমার নখদর্পনে। কোন অনুষ্ঠান হত না আমার উপস্থিতি বাদে।গ্রামের চেনা,আর পাড়ার তো কথায় নেই সকলেই অনেক ভালবাসত,আদর ও করত একদম ছোট বেলা থেকে। অবশ্য এট পাওয়া জন্মসুত্রেই। হয়ত ভাল বাবার মেয়ে বলে, নতুবা অনেকের চোখে একটু সুন্দরী বলে, নয়তো আমার অবয়বে ছিল অনেকখানি নিষ্পাপতা, সরলতা যা সবাই কে টানত। স্কুল সময় বাদেই চলতো ছোট ছোট অভিযান যেখানে শরীক হত আমার চোখে হারানো সহযোদ্ধারা। চলতো গোল্লাছুট, বউচি, দাড়িয়াবাধা আরও কত খেলা । সব কিছুরই মধ্যমনি একজন কারন ঐ যে জন্মসুত্রে
পাওয়া।
একটা অদৃশ্য টানে ছুটে যেতাম বাবার মামা বাড়ী। যেটা গ্রামের সবচেয়ে পুরোনো সুন্দর লাল রঙের একটি প্রাসাদ। যার ছাদে উঠে প্রায় দুই কি, মি, দূরে নিজের প্রিয় স্কুলের উঁচু চুড়াটা দেখতে মজা লাগত। প্রিয় কুমার প্রতিদিন একই নিয়মে দুর্বার গতিতে কাছে টানত।অজানা আকর্ষনে ছুটে যেতাম,ঝাপ দিতাম তার বক্ষে। নিবিড় মিতালী করে স্রোতের টানে গা এলিয়ে দিতাম। গ্রীষ্মে এপাড় থেকে ওপাড় গেছি কতবার প্রতিদিন সাথে সব নির্ভিক সহযোদ্ধারা। সে এক নতুন পৃথিবী নতুন অভিজ্ঞতা নিজেকে চ্যাম্পিয়ন মনে হত। আবার গামছা দিয়ে মাছও
ধরতাম।
আর স্কুলে, সেখানে তো ছিলাম “”রাজকুমারী।”” সকলের চোখের মনি। বাবা
ছিলেন স্কুলের সকলের শ্রদ্ধাপ্রিয়, অত্যন্ত ভালবাসার একজন মানুষ গড়ার কারিগর। যার পাঠদানে আলোকিত অগনিত শিক্ষার্থী শ্রদ্ধাভরে স্মরন করে। যার ক্লাস কখন ও একজন শিক্ষার্থী মিস করত না। যার সব বক্তৃতায় মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যেত উপস্থিত জনতা। ওয়াজ মাহফিল কিংবা যে কোন ধর্ম সভায় তার উদার্ত্ব কন্ঠের যাদুতে স্থম্ভিত হতো অগনিত
ভক্তকূল। যার প্রতিটি তুলির আচরে আকৃষ্ট হত দর্শনার্থী। তার হাতে নির্মিত প্রতিটা
মূর্তি জীবন্ত হয়ে যেত সকলের কাছে,প্রতিষ্ঠিত হতো মন্দিরে মন্দিরে। সুরের মুর্ছনায়
মোহিত করে ভরিয়ে দিত হৃদয় জনে জনে। সে আমার জন্মদাতা আমার “”বাবা “”।
আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার।
“”যার “”আলোক বিচ্ছুরণে বাড়িতে প্রতিদিনই পদধূলি পড়ত অনেক জ্ঞানী,
গুণী, সাধু-সৎজনের। কেউ আত্মীয় আবার কেউ
অনাত্মীয়। এত কিছু দেখার সময়
নেই আমার। বাড়ীর সর্বকনিষ্ঠ
হওয়ায় সকলেরই উজার করা ভালবাসা, আদর, স্নেহের কোনই টাই কমতি ছিল না।
হটাৎই মা অনেক অসুস্হ হয়ে গেলেন। বুঝলাম বাবা একটু থেমে গেছে। বিষন্নতা সকলকে জেকে বসল।
এরপরেই,,,,,,,,,,,
বাবা ছোট সাইজের কিছু কার্ড ধরিয়ে দিয়ে বলল, তোমার প্রিয় বন্ধুদের দিয়ে
দিও। তাতে লেখা ছিল! “”আসছে আগামী
২৭শে নভেম্বরের রাতে অজানা এক সাথীর সাথে জীবন দোলায় দুলিয়ে দিতে
তুমিও এসো কিন্তু “”।
বাবা নেই,,,,,,,, কদিন হলো “”বাবা “”তারাদের রাজ্যের এক নতুন সদস্য। তবুও আশির্বাদের অদৃশ্য হাতখানা মাথার উপরে আছে।
প্রতিটা মুহূর্ত অনুপ্রাণিত হই,সাহস জোগান দেই,আশার সঞ্চার করে, নিজের ভিতরে অস্তিত্ব অনুভব করি, মেরুডন্ড সোজা করে হাটার শক্তি পাই।
“লাভ ইউ বাবা, অনেক ভাল
থাক।

Comments

comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রুর‌্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র আলফাডাঙ্গা শাখার দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন

» সমাহার সফট চালু করলো করপোরেট বাল্ক এসএমএস

» আরজেএফ কেন্দ্রীয় কমিটিতে আলফাডাঙ্গার কামরুল ইসলাম নির্বাচিত

» “মধুমতি পাড়ের লেখিয়ে গ্রুপ”

» Test

» জেনে নিন টনসিলের ব্যথা দূর করার সহজ সমাধান !!

» ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ে ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় !!

» ৪ অবস্থায় আদা ভুলেও খাবেন না !!

» বিয়ের পর মোটা হওয়া কিভাবে আটকাবেন?

» সুখী দাম্পত্যজীবনের মন্ত্র

» লিভার নষ্ট হওয়ার এই ১০টি কারণ কি আপনার মধ্যে আছে? আজই সচেতন হউন !!

» যেভাবে রসুন খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা !!

» ভাঙা সম্পর্কের রেশ কাটাতে

» হঠাৎ অস্থিরতা ও খারাপ লাগা বড় কোনো রোগের লক্ষণ?

» নিজেকে সব সময় ক্লান্ত মনে হয়?

Archive Calendar

জানুয়ারি ২০১৮
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ডিসেম্বর   ফেব্রুয়ারি »
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।

রাত ৯:৪৪, ,

” ওরা ভীড় করে “

” ওরা ভীড় করে ”
“”””””””””””””””””””””””””
-ঝর্না দে ঝুনু
মধুমতি পাড়ের লেখিয়ে

“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””

এস, এস, সি, পরীক্ষা শেষ। বা — বা হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। যেন বন্দী দশা থেক মুক্তিপেলাম দীর্ঘ এক মাসের ও বেশী দিন বাড়ীছাড়া।
পরীক্ষা কেন্দ্রটি আট কি. মি.দূরে। এক দাদার বাড়িতে থাকা, মেয়ে আমি তাই। বাক্স -প্যাটরা বইয়ের বস্তা গুছিয়ে নিলাম। ছাউনিওয়ালা একটা ঘোড়ার গাড়ী রিজার্ভ করা হয়েছে বাড়ী ফেরার জন্য। বাড়ী থেকে আসার দিন ও ঐ একই ভাবে এসেছিলাম। ঠিক মনে হয়ে ছিল যেন মেয়ে শ্বশুর বাড়ী যাচ্ছে। আমি তো কান্না করে ফেলেছিলাম। যদিও বা শ্বশুর বাড়ীর কোন প্রতিচ্ছবি মনের কোনে উঁকি তখনও দেয়নি।

রওনা করেই পরীক্ষাত্তোর কর্মসূচী একে একে সাজিয়ে নিলাম । নিমিষেই চোখের সামনে সবাইকে আবিষ্কার ও করে ফেললাম। আহা,বাড়ী পাড়া কাছের বন্ধুরা আমাকে না দেখে কতই না কষ্ট পাচ্ছে। মনে হল বাড়ী ফেরার আনন্দ টা যেন বিজয়ের আনন্দ। পুরো তিনটা মাস মুক্ত বিহঙ্গ, আর বাঁধাহীন আনন্দ। কিছু সময়ের মধ্যেই সব হাতের মুঠোয়।

বাড়ী ফিরে কত কাজ। হয়ত পুতুলের বাক্সে ইঁদুর রাজত্ব করছে, কত কষ্ট আছে ওরা। চারা ফুল গাছ গুলো হয়ত জলের অভাবে ধুকে
ধুকে মরছে। বাড়ীতে কিছুদিন আগে জন্মনেওয়া কালো গরুর বাছুরটা হয়ত আমাকে
খুজে ফিরে।টমী টা আমার বিহনে খাবার বন্ধ করেছে হয়ত পুষি টাও তাই। ভেবেই মনটা কেমন ভারী ভারী লাগছে।
দস্যি মেয়েদের তালিকায় প্রথম সারির এক নম্বরে আমার নামটা। গ্রামের এমন কোন জায়গা ছিল না যেখানে আমার পদচারনা নেই। আম তলা, জাম তলা, তেতুল তলা, বড়ই তলা সব আমার নখদর্পনে। কোন অনুষ্ঠান হত না আমার উপস্থিতি বাদে।গ্রামের চেনা,আর পাড়ার তো কথায় নেই সকলেই অনেক ভালবাসত,আদর ও করত একদম ছোট বেলা থেকে। অবশ্য এট পাওয়া জন্মসুত্রেই। হয়ত ভাল বাবার মেয়ে বলে, নতুবা অনেকের চোখে একটু সুন্দরী বলে, নয়তো আমার অবয়বে ছিল অনেকখানি নিষ্পাপতা, সরলতা যা সবাই কে টানত। স্কুল সময় বাদেই চলতো ছোট ছোট অভিযান যেখানে শরীক হত আমার চোখে হারানো সহযোদ্ধারা। চলতো গোল্লাছুট, বউচি, দাড়িয়াবাধা আরও কত খেলা । সব কিছুরই মধ্যমনি একজন কারন ঐ যে জন্মসুত্রে
পাওয়া।
একটা অদৃশ্য টানে ছুটে যেতাম বাবার মামা বাড়ী। যেটা গ্রামের সবচেয়ে পুরোনো সুন্দর লাল রঙের একটি প্রাসাদ। যার ছাদে উঠে প্রায় দুই কি, মি, দূরে নিজের প্রিয় স্কুলের উঁচু চুড়াটা দেখতে মজা লাগত। প্রিয় কুমার প্রতিদিন একই নিয়মে দুর্বার গতিতে কাছে টানত।অজানা আকর্ষনে ছুটে যেতাম,ঝাপ দিতাম তার বক্ষে। নিবিড় মিতালী করে স্রোতের টানে গা এলিয়ে দিতাম। গ্রীষ্মে এপাড় থেকে ওপাড় গেছি কতবার প্রতিদিন সাথে সব নির্ভিক সহযোদ্ধারা। সে এক নতুন পৃথিবী নতুন অভিজ্ঞতা নিজেকে চ্যাম্পিয়ন মনে হত। আবার গামছা দিয়ে মাছও
ধরতাম।
আর স্কুলে, সেখানে তো ছিলাম “”রাজকুমারী।”” সকলের চোখের মনি। বাবা
ছিলেন স্কুলের সকলের শ্রদ্ধাপ্রিয়, অত্যন্ত ভালবাসার একজন মানুষ গড়ার কারিগর। যার পাঠদানে আলোকিত অগনিত শিক্ষার্থী শ্রদ্ধাভরে স্মরন করে। যার ক্লাস কখন ও একজন শিক্ষার্থী মিস করত না। যার সব বক্তৃতায় মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যেত উপস্থিত জনতা। ওয়াজ মাহফিল কিংবা যে কোন ধর্ম সভায় তার উদার্ত্ব কন্ঠের যাদুতে স্থম্ভিত হতো অগনিত
ভক্তকূল। যার প্রতিটি তুলির আচরে আকৃষ্ট হত দর্শনার্থী। তার হাতে নির্মিত প্রতিটা
মূর্তি জীবন্ত হয়ে যেত সকলের কাছে,প্রতিষ্ঠিত হতো মন্দিরে মন্দিরে। সুরের মুর্ছনায়
মোহিত করে ভরিয়ে দিত হৃদয় জনে জনে। সে আমার জন্মদাতা আমার “”বাবা “”।
আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার।
“”যার “”আলোক বিচ্ছুরণে বাড়িতে প্রতিদিনই পদধূলি পড়ত অনেক জ্ঞানী,
গুণী, সাধু-সৎজনের। কেউ আত্মীয় আবার কেউ
অনাত্মীয়। এত কিছু দেখার সময়
নেই আমার। বাড়ীর সর্বকনিষ্ঠ
হওয়ায় সকলেরই উজার করা ভালবাসা, আদর, স্নেহের কোনই টাই কমতি ছিল না।
হটাৎই মা অনেক অসুস্হ হয়ে গেলেন। বুঝলাম বাবা একটু থেমে গেছে। বিষন্নতা সকলকে জেকে বসল।
এরপরেই,,,,,,,,,,,
বাবা ছোট সাইজের কিছু কার্ড ধরিয়ে দিয়ে বলল, তোমার প্রিয় বন্ধুদের দিয়ে
দিও। তাতে লেখা ছিল! “”আসছে আগামী
২৭শে নভেম্বরের রাতে অজানা এক সাথীর সাথে জীবন দোলায় দুলিয়ে দিতে
তুমিও এসো কিন্তু “”।
বাবা নেই,,,,,,,, কদিন হলো “”বাবা “”তারাদের রাজ্যের এক নতুন সদস্য। তবুও আশির্বাদের অদৃশ্য হাতখানা মাথার উপরে আছে।
প্রতিটা মুহূর্ত অনুপ্রাণিত হই,সাহস জোগান দেই,আশার সঞ্চার করে, নিজের ভিতরে অস্তিত্ব অনুভব করি, মেরুডন্ড সোজা করে হাটার শক্তি পাই।
“লাভ ইউ বাবা, অনেক ভাল
থাক।

Comments

comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সদস্য মণ্ডলী : –

উপদেষ্টা : ডা রফিকুল ইসলাম বিজলী
আইন উপদেষ্টা : এ্যড জামাল হোসেন মুন্না
সম্পাদক ও প্রকাশক : মাহির শাহরিয়ার শিশির
বার্তা সম্পাদক: সৈকত মাহমুদ
নির্বাহী সম্পাদক : মনেম শাহরিয়ার শাওন

যোগাযোগ : –

সম্পাদকীয় কার্যালয় : সুইট :৩০০৯, লেভেল : ০৩, হাজি
আসরাফ শপিং কমপ্লেক্স, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
09602111463,09602333111,01611354077
fb.com/bartakantho | info@bartakantho.com

Design & Devaloped BY The Creation IT BD Limited | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © বার্তাকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।